শুভ জন্মদিন কবি শিপ্রা দে

11:25 PM
সকলের সুপরিচিত পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতিমান কবি শ্রদ্ধেয় শিপ্রা দে -এর
আজ শুভ জন্মদিন ৷
পূর্ণশশী সাহিত্য পত্রিকা’র পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা ৷
সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধিময় জীবন হোক ৷
🌷শুভ জন্মদিন🌷
শুভ জন্মদিন কবি শিপ্রা দে শুভ জন্মদিন কবি শিপ্রা দে Reviewed by Pobittro Roy on 11:25 PM Rating: 5

পত্রলেখা ঘোষ -এর কবিতা

11:38 PM

প্রীতিভাজনেষু জয়
ছন্দের সুবাসে  ওগো সর্বজনপ্রিয়,
সবারে করলে  তুমি আপন আত্মীয়।
পান্ডিত্য বিনয়  দুয়ের ই মেলবন্ধনে-
করলে মোহিত   বাঁধলে যে হৃদিবন্ধনে!
কত কি শেখালে  কিবা দেবো প্রতিদান,
ভালোবাসা দিই   শুধু বাড়ুক সম্মান।
সুখে ও শান্তিতে  বও জীবনের তরী-
দয়াল প্রভুর  তরে এ কামনা করি।
তোমার লেখনী  আরো সমুন্নত হোক,
পরাজিত হোক  যত জাগতিক শোক।
চলার পথের   যত বাধা হোক দূর-
জীবনের পথে বাজুক শান্তির সুর।

(আমার দেখা শ্রেষ্ঠ কবি, আমার পরম আদরের ছোট ভাই ও যে আমায় সর্বক্ষণ নানা ধরনের কবিতা লিখতে উৎসাহিত করে, আমার গুরু  জয় জগবন্ধু রায়কে  কবিতাটি উৎসর্গ করা হলো। ভালো থেকো জয়।)

কবি পরিচিতি:
পত্রলেখা ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় অবস্থান করেন ৷ তার জন্ম ২রা ডিসেম্বর ১৯৭৪ । পিতা স্বর্গীয় প্রবীর চন্দ্র ঘোষ, মাতা শ্রীমতী রুবি  ঘোষ।তিনি বর্তমানে একটি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত ৷ সাহিত্য সাধনাই তার একমাত্র নেশা । ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশের নানা পত্রিকা এবং বিভিন্ন যৌথকাব্য গ্রন্থে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়েছে । তার প্রকাশিত একটি একক গ্রন্থ “হৃদয়ে মোরা এক” । আজীবন সাহিত্য সাধনার সাথে যুক্ত থাকতে চান ।
সবাই ওনার জন্য আশির্বাদ করবেন ৷
পত্রলেখা ঘোষ -এর কবিতা পত্রলেখা ঘোষ -এর কবিতা Reviewed by Pobittro Roy on 11:38 PM Rating: 5

জীবন্ত কিংবদন্তি - জগবন্ধু রায়

9:33 AM

জীবন্ত কিংবদন্তি

         -জগবন্ধু রায়

প্রভাতী সংগীতে আজ, উঠেছি জাগিয়া,

পাখির মুরলী সুরে, "ভৈরবী কাননে।" 

পূবালী বাতাসে তুমি, এসেছো সাজিয়া 

খড়ক্কী জানালা দিয়ে, "সোহাগ আননে।" 

দিয়েছো সোনালি প্রভা, ওহে, "দিনমণি"। 

আলোতে ভরেছো তুমি, "প্রভাত লগনে।" 

দুপুরে তোমার তেজে', মাথা গলে শনি! 

তথাপি খুঁজেছি স্নেহ, "বটের তলায়", 

রৌদ্র করোটি ছাতা, দাও হে জননী। 

বৈকাল দিগন্তে এসে, জীমূত ফলায়, 

সন্ধ্যার আহ্নিক তুমি, "সলিতা প্রদীপে"

জীবন্ত প্রার্থনা ওগো, " তুলসী তলায়"।


কবি পরিচিতি:

কবি জগবন্ধু রায় পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলাধীন প্রধানাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহন করেন ৷ অনেক ঝঞ্ঝাট পেরিয়ে বাংলা ভাষা সাহিত্যে সম্মানসহ প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর এবং বি.এড. ডিগ্রি অর্জন করেন ৷ কবিতা লেখার হাতেখড়ি স্কুল জীবন থেকেই ৷ বিভীষিকাময় জীবনের উপলব্ধি কে কবি রুপায়িত করেছেন মনের কথামালায় যা প্রকাশিত “জীবন সংলাপ” কবির ১ম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থে ৷ বিভিন্ন যৌথ কাব্যগ্রন্থ এবং ম্যাগাজিনে কবির কবিতা প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হচ্ছে ৷ এখাড়াও কবির অনলাইন বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে দুইটি ইবুক “আলাপ সংলাপ ”  এবং “নমামি নিবেদন”

কবি সকলের কাছে আশির্বাদ কামনা করছেন ৷

জীবন্ত কিংবদন্তি - জগবন্ধু রায় জীবন্ত কিংবদন্তি - জগবন্ধু রায় Reviewed by Pobittro Roy on 9:33 AM Rating: 5

জয়দেব বেরা -এর মনের কথামালার প্রকাশ

9:36 AM

 শুভ মহালয়া

আজকের এই শুভ দিনের শুভক্ষণে পূর্ণশশী সাহিত্য পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের উপহার দিচ্ছি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তরুণ সাহিত্যিক জয়দেব বেরা এর নিরলস প্রচেষ্টার ফসল “মনের কথামালা”

বইটি ইবুক(পিডিএফ) আকারে প্রকাশ করা হল ৷

বই: মনের কথামালা

লেখক: জয়দেব বেরা

প্রকাশকাল: মহালয়া ১৪২৭(১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২০ইং)

প্রকাশনায়: পূর্ণশশী সাহিত্য পত্রিকা

ডাউনলোড

জয়দেব বেরা -এর মনের কথামালার প্রকাশ জয়দেব বেরা -এর মনের কথামালার প্রকাশ Reviewed by Pobittro Roy on 9:36 AM Rating: 5

শুভ মহালয়া ১৪২৭

8:55 AM

দেবীপক্ষের আগমনে পৃথিবী ব্যাধিমুক্ত হোক, কেটে উঠুক সকল জীর্ণতা ৷

শুভ মহালয়া
 

শুভ মহালয়া ১৪২৭ শুভ মহালয়া ১৪২৭ Reviewed by Pobittro Roy on 8:55 AM Rating: 5

সিংহ ও দুষ্টু শেয়াল

10:55 PM
সিংহ ও দুষ্টু শেয়াল 
লেখক : ইমরান খান রাজ


এক বনে বাস করতো দুষ্টু শেয়াল। সে ছিলো মিথ্যাবাদী আর অনেকটা চালাক প্রকৃতির। সে সবসময় বনের অন্য পশুপাখিকে বোকা বানাতো এবং তাদের মাংস খেয়ে পেট পূজা করতো। এভাবে চলতে চলতে বনের বেশিরভাগ পশুপাখি বিলীন হয়ে যেতে লাগলো ! দুষ্টু শেয়ালের এমন কর্মকাণ্ডে অন্যান্য পশুপাখিরা তাকে অবিশ্বাস করতো ও এড়িয়ে চলতো। আর এতে সেই শেয়ালের দুশ্চিন্তা বেড়ে গেলো। কারন খাবার খেতে না পারলে, সে না খেয়েই মরে যাবে ! সেজন্য দুষ্টু শেয়াল তার মাথায় আনলো এক নতুন বুদ্ধি ! 

বনের রাজা সিংহের সাথে দেখা করে এক নতুন চুক্তি করলো সে। বিভিন্ন পশুপাখির বাড়ির সন্ধান সে সিংহ'কে দিবে। বিনিময়ে সিংহের শিকার করা খাবার তাকে অর্ধেক দিতে হবে। সিংহ অতটা চালাক না হলেও মাংস পাওয়ার লোভে শেয়ালের চুক্তিতে রাজি হয়ে গেলো। 

একদিন হাঁপাতে হাঁপাতে শেয়াল পণ্ডিত চলে এলো সিংহের গুহায়। 


ঘুমিয়ে থাকা ক্ষুধার্ত সিংহ'কে ডেকে তুলে জানায়, বনের গভীরে এক পাহাড়ের পিছনে বেশকিছু সুন্দর হরিণ বাস করে। সে যদি এখনই রওনা হয় তবে সবকটা হরিণের শিকার করতে পারবে। শেয়ালের এমন খবর শুনে সিংহ মশাই ঘুমন্ত শরীরে শক্তি ফিরে পেলো৷ সাথে সাথেই শেয়ালের সঙ্গে রওনা হলো হরিণ শিকারের উদ্দেশ্যে। সিংহ সামনে আর তার পেছনেই শেয়াল পণ্ডিত মনের খুশিতে হেটে চলছে। শেয়াল মনে মনে ভাবছে আজ অনেকদিন পর সুস্বাদু হরিণের মাংস খাবে ! সিংহ'কে দিয়ে সবগুলো হরিণ শিকারের পর অর্ধেক মাংস ভাগ পাবে সে। মাংসগুলো অনেকদিন পর্যন্ত চলে যাবে তার। 

অনেকদূর হাটার পর দূরে একটা পাহাড় দেখা গেলো। এদিকে হাটতে হাটতে সিংহের প্রচুর ক্ষুধা লেগে লেগো। পেছন থেকে শেয়াল পণ্ডিত বলে উঠলো, সিংহ মশাই আপনার আর কষ্ট করে হাটতে হবেনা। আমরা চলে এসেছি। আপনার সামনে যেই পাহাড়টা দেখতে পাচ্ছেন, তার পিছনেই বাস করে হরিণগুলো। আপনি চুপচাপ এগিয়ে গিয়ে ওদের ওপর আক্রমণ করুন। শিকার করা হয়ে গেলে আমাকে ডাকবেন। আমি আমার ভাগের অংশ বুঝে নিবো। 

এরপর সিংহ নিশ্চুপ হয়ে আস্তে আস্তে পাহাড়ের পিছনে যায়। গিয়ে তো সিংহ অবাক ! নেই কোন হরিণ আর নেই কোন মাংস ! পুরো জায়গা ফাঁকা। সিংহ বুঝতে পারে যে, হয়তো হরিণগুলো খবর পেয়ে আগেই ঘরছেড়ে পালিয়েছে। ক্ষুধার্ত সিংহ এই ঘটনা দেখে খুব রেগে যায় শেয়ালের ওপর। তাই সিংহ নতুন এক ফন্দি করে। সে ওখান থেকে বেরিয়ে শেয়ালের কাছে আসে এবং বলে, ধন্যবাদ শেয়াল পণ্ডিত। আজ তোর জন্য অনেকগুলো হরিণ শিকার করতে পেরেছি। আমি পেটভরে খেয়েছি মাংস। তুই এসে তোর ভাগেরটা নিয়ে যা। এই খবরে দুষ্টু শেয়াল খুব খুশি হয়ে সিংহের সাথে পাহাড়ের পিছনে হরিণের বাসার দিকে যায়। গিয়ে দ্যাখে সেখানটা পুরো খালি পড়ে আছে। না আছে কোন হরিণ আর না আছে কোন মাংস ! এটা দেখার পর সিংহ'কে তার ভাগের অংশের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করার জন্য যেই পিছনে তাকায়, অমনি ক্ষুধার্ত সিংহটা এক থাবায় শিকার করে ফেলে দুষ্টু শেয়ালটাকে। তারপর শেয়ালটাকে পুরোপুরি খেয়ে সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ে বনের রাজা সিংহ। 

এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া যায়, অতি লোভ এবং মিথ্যা বলা মোটেও উচিত নয়। লোভের ফলে মৃত্যু হয়। আর অন্যের জন্য গর্ত করলে সেই গর্তে নিজেকেই পড়ে মরতে হয়। 

লেখক পরিচিতি:
নামঃ ইমরান খান রাজ 
ঠিকানাঃ নারিশা, দোহার-ঢাকা ১৩৩২। 
ই-মেইলঃ imrankhanraj222@gmail.com

সিংহ ও দুষ্টু শেয়াল সিংহ ও দুষ্টু শেয়াল Reviewed by Pobittro Roy on 10:55 PM Rating: 5

গল্প “ইচ্ছে ডানা”

9:40 AM

 ইচ্ছে ডানা

লেখিকা: মধুমিতা রায় চৌধুরী মিত্র

 নিজের জীবনের সব থেকে সুন্দর একটি অনুভূতিকেই  গল্পের আকার দিতে আজ ভীষণ ইচ্ছে করলো।

 মূল ঘটনাটি গত বছর পুজোর আগে ঘটলেও আমার জীবনে সেটি অনেক আগেই দানা বেঁধেছিল।




                             -----------------------------------------


গতবছর, অফিস থেকে হাফ ছুটি নিয়ে পুজোর লাস্ট কিছু কেনাকাটি করতে গেছিলাম নিউ মার্কেটে। ষষ্ঠীর আর মাত্র পাঁচদিন বাকি ছিল।ভিড়ে ঠাসা। কলকাতায় পুজো শুরুই হয় শপিং দিয়ে।


 অঘ্রানে আমার বিয়ে পাকা হয়ে গেছে। বাড়ি থেকেই দেখাশোনা। ছেলে বিদেশে থাকে। বিয়ের পর আমাকেও চলে যেতে হবে ,তাই শপিংয়ের বহর সেবার ছিল অনেক বেশি। 


মনটাও খারাপ ছিল।


 বার বার মনে হত কলকাতায়ে বোধহয় "এটাই শেষ পুজো'।


 হঠাৎ ওই ভিড়ের মধ্যে প্রায় থমকে দাড়িঁয়ে পড়লাম। 


কিছুই না, ছ'বছর আগের এক চেনা মুখ আমার দিকে অনিমেষনেত্রে চেয়ে আছে। 


আবীর নাম। অফিসের অন্য ডিপার্টমেন্টে কাজ করত। বছর ছ'য়েক আগে ইস্থফা দিয়ে চলে যায়। কেন আর কোথায় গেল জানতে পারিনি। সবাই সিনিয়ার আর আমি ইন্টার্ন করতে ঢুকেছি তাই সঙ্কোচে কারোর থেকে জানতে পারিনি।


আসলে ওঁর প্রতি আমার একতরফা দুর্বলতা ছিল আর সেটাই আমার মধ্যে অপরাধ আর লজ্জা মেশানো ব্যাপার সৃষ্টি করে।


প্রথম প্রথম, কিছুদিন বেশ মনমরা হয়ে থাকতাম, মাঝে মাঝে ওঁর কিউবিকালে, ফেলে যাওয়া চেয়ার'টা দেখলে গলায় কেমন একটা দানা বেঁধে আসত। 


ব্যাস ,একতরফা ভালোলাগাতে যতটা কষ্ট পেতে হয়, ঠিক ততোটাই পেয়েছিলাম। তারপর ছ'টা বছর কেটে গেল,


আর আমার 'একতরফা-প্রথম-প্রেমটা' প্রায় মিলিয়ে গেল।



কিন্তু সেদিন তাঁকে আবার দেখে, কেমন যেন সেই গলায় দানা বাঁধা অনুভূতিটা ফিরে এল।



দেখলাম আবীর'দা বেশ বদলে গেছে।


তাঁর ছিপছিপে চেহারাটি কোথায় হারিয়ে গেছে, একটু মোটা হয়ে গেছে।


তবে লাজুক মেশানো হাসিটা একই আছে।


সে নিজেই হেঁসে এগিয়ে এলো। এর আগে কোনোদিন কথাই বলেনি। আগে এসব আমার স্বপ্ন ছিল।



প্রথমে একটু কুশল সংবাদ আদান প্রদান হল। 


কিন্তু ওই ভিড়ে প্রায়ে সবাই ঠেলে দিয়ে চলে যাচ্ছিল। 



 " নাহ'! এই ভিড়ে দাঁড়িয়ে কথা বলা যাবে না। অনেকদিন পর দেখা হল!! তোমার আপত্তি না থাকলে, কোথাও বসে কথা বলি"। 



আমি প্রায় 'হতভম্ভ'। এমনিতেই আমি প্রায় হা হয়ে গেছি, কোথায় আছি, কি হচ্ছে, কোন বোধ ছিল না, তার ওপর আবীর'দা নিজের থেকে কথা বলবে বলছে!!!



সেদিন আমি কিছু না ভেবেই সম্মতি জানালাম। 



গ্রান্ড হোটেলের উল্টো দিকে একটি লেক সমেত পার্ক আছে। নামটা জানা নেই ওখানেই সেদিন গেলাম।



জায়গাটি ঠিক পার্ক না কিন্তু বেশ সুন্দর। মাঝখানে লেক, সেটিকে ঘিরে আছে সবুজ ঘাসে ভরা সুন্দর সাজানো ফুলের বাগান, আর তাতে বেশ কয়েকটি বসার জায়গা। লেকের মধ্যিখানে সুন্দর জলের ফোয়ারা। পড়ন্ত দুপুরের রোদ এসে জলে পড়ছে। সব মিলিয়ে কেমন একটা স্বর্গীয় ব্যাপার।


পার্কে ঢুকতে ঢুকতে আবীর'দা -- ওই পার্কের ইতিহাস থেকে শুরু করে  আসন্ন পুজো অবধি-----  কত কিছু বলে গেল!!! 


আমার কানে ঢুকলেও, সেগুলি মাথায় ঢুকলো না।



ভাবছিলাম, এই মানুষটা এত কথাও বলতে পারে!! তাও আবার আমার সাথে!!!



একটি ফাঁকা বসার জায়গা দেখে বসলাম। অদ্ভুত এক নতুন অনুভূতি!!



আবীর'দা হঠাৎ জিজ্ঞেস করলো------


"চাকরিটা চেঞ্জ করবে না এবার"।



 "না, এই বেশ ভালো আছি"। "জবটা সিকিওর্ড"। "সবাই চেনা জানা হয়ে গেছে।"



খেয়াল করেছিলাম আবীর উদাস হয়ে আকাশের দিকে একটি উড়ন্ত প্লেন দেখছে।



 "ঠিক বলেছো"। " জব সিকিউরিটি খুব জরুরি"।



কেন জানি না মনে হচ্ছিল আবীর'দার কিছু সমস্যা আছে।



 " এখন কোথায় চাকরি করছো?"



জানতে পারি সে ছ'বছর আগে অন্য একটি চাকরি পেয়ে ইস্থফা দেয়।


তারপর সেটিও ছেড়ে আরো ভালো এবং উচুঁ পোস্টে চাকরি পেয়ে ভুবনেশ্বর চলে যায়।



 ওঁর কেমন একটা উদাসীন ভাব দেখে জিজ্ঞেস করলাম:



 "সব ঠিক আছে তো?"



 " হ্যাঁ, ওইই,, চলে যাচ্ছে আর কি"।


হঠাৎ বলে বসলো:


 "তোমায় কিছু কথা শেয়ার করবো"।



আমার তো সেদিন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতন অবস্থা!!! 



"হ্যাঁ"।



"আসলে, আমি চাকরি টা ছেড়ে দিয়েছি।"



 বেশ চমকে গেছিলাম কারণ তার আগে যেই চাকরির এত প্রশংসা করছিলো, সেই চাকরিও ছেড়ে দিয়েছে, তাও একটা রিসিসনের সময়!!!



আমার কৌতূহল ও নিজেই মেটালো



"জব স্যাটিসফ্যাকশনের অভাব",



"আসলে হতে চেয়েছিলাম এক, আর হলাম আরেক।"



"ছোটথেকেই ঘুড়ি ওড়াতে বেশ লাগত।"


"ভাবতাম কি সুন্দর রঙ বে রঙের ঘুড়ি গুলো ওই বিশাল নীল আকাশে উড়তে পারে। যদিও লাগাম আমার হাতে থাকতো। তবু নিজেকে ঘুড়ি ভেবে উড়িয়ে দিতাম। মনে হতো যেন আমি উড়ছি।"


 "একটু বড়ো হওয়ার পর নিজেই ঠিক করলাম পাইলট হবো। কিন্তু অঙ্কটা বেশ শক্ত লাগলো যখন এনট্রান্স পরীক্ষার জার্নাল গুলো দেখতাম।"


"---বাবা-মা আমার এই বিষয় আগ্রহ যেনে অনেক উৎসাহ দিতেন। চেষ্টা যে করিনি তা না কিন্তু ফেল করে যাওয়ার ভয় আর লজ্জাতে আর এগোইনি। এখন মনে হয় চেষ্টা করলে বোধহয় হয়ে যেতাম।"


"পাইলট হতে না পারার দুঃখটা রয়েই গেল। আজও আছে।"


 "তারপর,মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা পাস করে চাকরি পেলাম"। "আমিও ওখান তোমার মতন ইন্টার্ন করতে ঢুকে, ওখানেই দুই বছর কাটিয়ে দিলাম। পরে অবশ্য এক জায়গায় মন বসছেনা বলে, জবটা চেঞ্জ করি।"


"পোস্ট একই ছিল, শুধু মাইনেটা সামান্য বেশি।" 



"কিন্তু পাইলট হওয়ার স্বপ্নটা আমায় জ্বালিয়ে খেত।"



"তাই সেটাও ছেড়ে কিছুদিন বাড়িতে বসে একটু পড়াশোনা করলাম। কয়েকটি কম্পিটেটিভ এক্সাম এ বসি। পুরোটাই বাবার চাপে পড়েই। কিন্ত সেটাও ঠিক মন দিয়ে করতে পারলাম না।"


 "যাইহোক, আবার চাকরির ইন্টারভিউ দিতে শুরু করলাম, বেশ কয়েকটা দেওয়ার পর সেবার এই  লাস্ট চাকরিটা পেলাম। স্বান্তনা এই যা, পোস্ট আর স্যালারি দুটোই বেশ ভালো।" " তবে ভুবনেশ্বর'এ পোস্টিং।"



আমি সেদিম মুগ্ধ হয়ে ওঁর গল্প শুনছিলাম। তার আগে কোনোদিন ভাবিনি আবীর'দা আমায় কোনো এক শরতের পড়ন্ত দুপুরে নিজের কথা বলবে আর আমি শুনবো। মনে হচ্ছিল যেন এক রুপকথার দেশে চলে গেছি এবং বহু অপেক্ষার পর রাজপুত্রের দেখা মিলেছে !!!



 --------"সব ভালো তো ছাড়লে কেন?"



"কষ্টে", "মাথা-খারাপ ও বলতে পারো"।


 "মানে?"


"সেটাই তো বলতে চাই তোমায়"।


 "অফিসে আমি সিনিয়ার ম্যানেজার পোস্টে ছিলাম"। 


"আমাদের কাস্টমার নিয়ে ডিল করতে হত।"


"হঠাৎ একদিন এক কাস্টমারের কাছ থেকে লিগ্যাল নোটিশ পাই, তাতে লেখা ছিল আমরা বেশি টাকা নিয়েছি এবং ওনাকে হয় টাকা ফেরত দিতে হবে নাহলে উনি কাস্টোমার ফোরামে নালিশ জানাবেন। আর সেটা হলে আমাদের অফিসের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।" "ব্যাপারটি ওপর মহল অবধি চলে যায়।"


 "দোষ আমাদের না, তাই ভর্তুকি দিয়ে চাপা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।" 


" আমি সিনিয়র  ম্যানেজার, তাই এরকম কাস্টোমার সামলানোর দায়ও আমার, কোম্পানি অবশ্য একজন ল'ইয়ারের সাহায্য নিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার আগে আমায় একবার চেষ্টা করতে বলা হয়।"



"আমি বিভিন্ন নথি ঘেটে বেশ একটা যুক্তি ও প্রমান দিয়ে কাস্টোমারকে চিঠি দিলাম এবং জানালাম যে কোম্পানির কোনো ভুল নেই , পারলে কেস তুলে নিন না হলে কোম্পানি লিগ্যাল স্টেপ নিতে বাধ্য হবে। এবং এটাও বুঝিয়ে দিলাম মামলায় জিতলে কাস্টমারকে অনেক লক্ষ্য টাকার ভর্তুকি দিতে হবে।" " চিঠি পাওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই ওনারা কেস তুলে নিলেন এবং ক্ষমা চেয়ে চিঠিও দিলেন ।"


"সেদিন সবাই আমার তারিফ করলেন।" 



"তারপর থেকে আবার আমি একটা নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।" 



 "সেটা আবার কি?"



"এবার এটা শুনলে পর হাসবে"। 



 "এডভোকেট হওয়ার স্বপ্ন"



"আর তাই ও'খানকার ল'কলেজে নাইটে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শুরু করি"। "সারাদিন অফিস, তারপর ক্লাস। " "অফিসের ডিরেক্টর জানতে পেরে খুশি হন। আমিও খুশি।" "মা-বাবা ও খুশি।" 


"তখন থেকে অফিসের যাবতীয় জটিল কেস আমি সল্ভ করে দিতাম।" 


" সাথে পড়াশোনা সমান তালে চলতো। যেন আবার নিজের ওপর হারানো কনফিডেন্স ফিরে পেলাম।"


 "তাহলে কেন ছাড়লে?"


"বলছি।"


 "ফাইনাল সেমিস্টার এসে গেল। খুব খেটে তৈরি হলাম।"


"এর মধ্যে আরো একটি ভালো খবর ছিলো।"


" আমার বস্ ,,, জানালেন, কোম্পানির নিজস্ব ল'ইয়ারের রিক্রুট করতে চায়, এবং অনেকেই আমার নাম সাজেস্ট করেন বোর্ড মিটিংয়ে।"  " আমি তো আনন্দে আত্মহারা কারণ পোস্টটি যেমন ভারী, স্যালারিও তেমনি ভালো। শুধু ল'টা পাস করতে হবে। সার্টিফিকেট পরে জমা দিলেও চলবে।" 


"এবং সত্যি একদিন ডিরেক্টর ফোন করে সেই আভাস দিলেন।" 


"কিন্তু আমার পোড়া কপাল!" 


"ইউনিভার্সিটি আর ছাত্র উইনিয়নের মধ্যে কিছু গন্ডগোল চলাতে ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা স্থগিত হলো। কবে হবে জানা নেই।"


" কেমন যেন একটা অবসাদে ভুগতে শুরু করি।"


 "মা, বুঝতে পেরে আমার কাছে ছুটে আসেন।" 


"তারপর গত সপ্তাহে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে চলে আসি মায়ের সাথেই।"


 "আর গত পরশু ইস্তফা- ইমেল পাঠিয়ে দি, এখনো বাড়িতে কেউ জানে না।"



 "চাকরি ছাড়ার কি দরকার ছিল? ছুটি নিয়ে কোথাও একটা ফ্যামিলি ট্যুর করে নিতে, ভালো লাগতো"। 


"ইউনিভার্সিটির ঝামেলা একদিন তো কেটেই যাবে"।



,,"হ্যাঁ,,,,,   হয়তো কেটে যাবে, কিন্তু আমি নিজের কাছে এতবার হেরে যাওয়াটা ঠিক মেনে নিতে পারছিলাম না।" "ল'ইয়ারের পদে ডিরেক্টরের এক রিলেটিভকে নিযুক্ত করা হয়েছে, ওনারা সব জেনেও একটু অপেক্ষা করলেন না।" "ইন ফ্যাক্ট, আমায় কিছু জানানোই হলো না। আমি এখানে বসে গত পরশু সকালে এক কলিগের কাছে খবর পাই।" 



তারপর আমরা দুজনেই চুপ।



সেদিন খারাপ লাগছিল। 


আবীর'দা মাথা নিচু করে বসেছিল। 


যেন কোনো অপরাধ করে ফেলেছে।



কিন্তু আমার ভিতরটা কেন জানিনা, অত অবসাদের কথা শুনেও বেশ একটা উত্তেজনা মিশ্রিত খুশিতে ভরে গিয়েছিল।



আবীর'দা যেদিন জানতে চেয়েছিল যে আমি কখনো ব্যার্থ হয়েছি কিনা।


সেদিন অবশ্য আমার ওর প্রতি একতরফা-প্রেমে ব্যার্থ হওয়ার কথা শোনাইনি।



 ওঁকে সেদিন আনন্দের চোটে খুব বলতে ইচ্ছে করেছিল,


, "আজ আমার থেকে সফল আর কে?" 


তবে বলিনি।


উল্টে বললাম "আমি প্রার্থনা করছি তোমার ইউনিভার্সিটির ঝামেলা মিটুক, আর তুমি পরীক্ষাতে খুব ভালো করো।"


" ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, সাথে ল'পাস, তার সাথে এত গুলো চাকরির অবিজ্ঞতা। সব নিয়ে তুমি অনেক সফল হবেই।"



"সত্যি বলছ"?



"১০০,%"।



 "উফফ সব বলতে পেরে খুব হালকা ফিল করছি।"


 "বাড়িতে মন বসছিলনা বলে মেট্রো করে এসপ্লেনেড এলাম, তারপর নিউ মার্কেটে ঢুকলাম ভাবলাম এই ভিড়ের ধাক্কাতে কষ্টটা যদি ভাঙে।"


 "সন্ধ্যে হয়ে এল, চলো তোমায় একটু এগিয়ে দি, যাবে কিসে?"



 "মেট্রোতে"।



" ওহ!! আমিও।"



আমরা দুজনই এসপ্লেনেড মেট্রোর দিকে গেলাম, সেদিন, আবীর'দা দুজনেরই টিকিট কাটল। 


আবীর'দা যাবে সাউথের দিকে আর আমি উত্তর দিকে।


স্টেশনে নামতেই আবীর'দা মেট্রো আগে এসে গেল। 


কষ্ট হচ্ছিল। 


কিন্তু দেখলাম ও উঠলো না। 



"কি হলো.. তোমার ট্রেন এসে গেছে তো!!"



 " জানি, তোমার ট্রেন আগে আসুক।"


 " যদি কিছু মনে না করো তোমার মোবাইল নম্বর পেতে পারি?"



আমি খুশি হয়ে দিয়েও দিলাম। 


আবীর'দা সেভও করে নিলো ফোনে।


আমার মেট্রো এসে গেল। 


অনিচ্ছা সত্বেও উঠলাম।


ইলেকট্রনিক দরজাটা ঝপ করে বন্ধ হয়ে গেল।


ট্রেনও চলতে শুরু করে দিল।


 কাঁচের জানলা দিয়ে যতটা দেখা যায় দেখে গেলাম। আবীর'দাও সেই অনিমেষেনেত্রে চেয়ে আছে আমারই দিকে। 


আস্তে আস্তে আবীর'দা মিলিয়ে গেল।


আমিও মন ভারী করে দাঁড়িয়ে ছিলাম। 



হঠাৎ,


 একটা মেসেজ আসার আওয়াজ এল ফোনে।



ওপেন করে দেখি , আবীর'দা। 



লিখেছে। 


"হাই,


তোমার অফিসের কাছে যে কফি শপটা আছে, আমি ওখানে কাল সন্ধ্যে ছ'টা নাগাদ অপেক্ষা করবো?" 


"'তুমি আসবে?"....



আমার সেই মুহূর্তের আনন্দ, এখানে লিখে বোঝাতে পারব না।


ওই মুহুর্তে মনে হয়েছিলো-----


আমি যেন সেই  রঙিন ঘুড়ি, যে আনন্দে আকাশ জুড়ে ঘুরছে, আর নিচে আবীর'দা তাঁর মায়া ভরা চোখ দিয়ে আমায়ে দেখছে। আর দেখেই চলেছে……



পরেরদিন…..


 আবীর বিকেল ৫.৩০ থেকেই কফি শপে অপেক্ষা করছিল। 


আগেরদিন…  হোয়্যাটসপে প্রায় সারা রাত্রি লেখা লেখি চলেছে।


 সকাল থেকে তিনবার লম্বা লম্বা 'কল' হয়।


তারপর থেকে হোয়্যাটসপ, ফোনে কথা আর ঠাকুর দেখা সবই হলো।


 এমনকি পুজোর মধ্যে আবির'দা একদিন আমাদের বাড়িতেও এল।


এর মধ্যেই ওঁর উনিভার্সিটির ঝামেলা মিটে যায়। ও গিয়ে ভালো মতন পরীক্ষা দিয়ে আসে।


কলকাতায়ে এসে আবার কিছু ইন্টারভিউ দিতেই, খুব ভালো জায়গায় চাকরি পেয়ে গেল। 


এদিকে আমার বাড়িতে বিয়ে নিয়ে হুল্লোর। আত্মীয় স্বজনদের আসা যাওয়া। 


কিন্তু আমার মন তখন চঞ্চল। 


জানি এই বিয়েটাকে মেনে নিতে হবে। 


আবীর'দা আমার সাথে খুব ভালো বন্ধুর মতন মেসে। পুজোর সময় যখন আমাদের বাড়িতে এসেছিল, বাবা সেদিন ওঁকে বলেই দিলেন: "আবীর, বন্ধুর বিয়েতে সক্কাল সক্কাল চলে আসবে কিন্তু।"


সেদিন আবীর মাথা নাড়িয়ে হাঁসলো।


কিন্তু আমার  কাঁদো কাঁদো অবস্থা।


 যাঁকে ভালবাসলাম, তাঁর সামনে আমাকে অন্য কারোর সাথে বিয়ে করতে হবে!!


আবীর'দা গতবছর ২৩এ অক্টোবর মানে পুজোর ঠিক পরেই নতুন অফিস জয়েন করে।


সেদিনই বিকেলে আমাদের দেখা করার কথা।


 প্রথম দিন কেমন হলো জানবার জন্য।


ও সেদিন এলো। 


এসেই বললো…. "আমায় বিয়ে করবে?"


 "রাজি থাকলে বলো, তোমার বাড়িতে জানাবো।" "জানি খুব অদ্ভুত শোনাচ্ছে, কিন্তু একটা কিছু না পেয়ে তোমায় কি করে বলি!"


আমার প্রায় দমবন্ধ হয়ে আসার মতন অবস্থা। 


হাতে মাত্র ক'টা দিন বাকি বিয়ের। 


পাত্র একদম নিখুঁত, তাঁর কোনো দোষ নেই যে তাঁকে নিয়ে অজুহাত বানাবো।


সেদিন আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বাড়ি ফিরে আসি।


সারারাত ফোন বন্ধ করে ভাবলাম।


সকালে মা'কে ডেকে প্রথম থেকে শেষ অবধি সব বললাম।


আগে বলিনি তার জন্য বকুনিও খেলাম। 


তারপর যা হল সেটা দিয়ে, আরো একটা গল্প হয়ে যাবে।


------------------------------------


       আজ দু মাস পূর্ণ হলো আমাদের বিয়ে হয়েছে।


আমরা এখন ব্যাঙ্গালোরে থাকি। ওঁ ট্রেনিংয়ের পর এখানে জয়েন করে। তিন মাস পর পার্মানেন্ট লেটার পায়। তারপর আমাদের বিয়ে হয়।


বাবা একটু রেগে ছিল কিন্তু মা সব যুক্তি দিয়ে বোঝায়।


আর যার সাথে বিয়ে পাকা হয়ে গেছিল, সে এখন আমাদের দুজনের  ভালো বন্ধু হয়ে গেছে। 


এবারের পুজোতে শুধু নবমীতে বাড়ি যেতে পারবো। কারণ এখানে পুজোর কোনো ছুটি নেই। কিন্ত আমার তাতে কোনো আক্ষেপও নেই।



সেদিন পার্কে ওঁ জানতে চেয়েছিল আমার আক্ষেপ আছে কিনা। 


আজ বলতে পারি।


না। কোনো আক্ষেপ নেই।


ওঁ না'হয় পাইলট হয়ে উড়তে পারেনি। কিন্তু আমার পা'মাটিতে এখন আর মাটিতে পড়ে না",।


ওঁ হয়তো সেই মুহুর্তের সঠিক বিচার পায়নি।


কিন্তু আমার সেই একতরফা-প্রেম, সঠিক বিচার পেয়েছে।


একদিন বিয়ের পর আমি ওঁকে জিজ্ঞেস করি: 


"তোমার এখন আর কিসে আক্ষেপ আছে?"


হেসে বলে আমায় জড়িয়ে ধরে বলে:


 "তুমিই যে সব আক্ষেপ ভুলিয়ে দিলে''।।



💝নতুন পথে পথ চলা হলো শুরু💟



লেখিকা পরিচিতি:

নাম: মধুমিতা রায় চৌধুরী মিত্র ৷

নিবাস: ভারতের উত্তর কলকাতার বাসিন্দা।

তিনি নিয়মিত লেখা লেখি করেন, গান লিখেন, ছবি আঁকেন, নতুন নতুন রান্না করেন এবং বাংলা ও ইংরেজী দুই ভাষাতে গল্প, প্রবন্ধ ও নিবন্ধ পড়তে ভালবাসেন । বর্তমানে আমি বিবাহিতা । তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি একজন ভ্রমণ পিপাসু ব্যক্তিত্ব ৷


গল্প “ইচ্ছে ডানা” গল্প “ইচ্ছে ডানা” Reviewed by Pobittro Roy on 9:40 AM Rating: 5

সেপ্টেম্বর ২০২০ সংখ্যা প্রকাশ করা হলো

9:22 AM

“পূ্র্ণশশী সাহিত্য পত্রিকা” -এর মাসিক সংখ্যা সেপ্টেম্বর ২০২০ সংখ্যা প্রকাশ করা হলো ৷

দ্বিতীয় বর্ষ ৷ ১ম সংখ্যা ৷

যারা অংশ নিয়েছেন এবং পূর্ণশশী সাহিত্য পত্রিকাকে সহযোগিতা করেছেন ৷ তাদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ৷ 

সতত পাশে থাকবেন এ কামনাই করি ৷ 

সকলের জীবন সুখ,শান্তি ও আনন্দময় হোক ৷

Download-ডাউনলোড


সেপ্টেম্বর ২০২০ সংখ্যা প্রকাশ করা হলো সেপ্টেম্বর ২০২০ সংখ্যা প্রকাশ করা হলো Reviewed by Pobittro Roy on 9:22 AM Rating: 5

Random-Posts

3/random/post-list
Powered by Blogger.